চন্ডি অনুসারে মায়ের যে নবদুর্গা রূপ আছে তাতে প্রথম হলেন - মা ব্রহ্মাণী -এর ধ্যান এ বলা হয়েছে -বন্দে বাঞ্ছিত লাভায় চন্দ্রার্ধ কৃত শেখরাম। বৃষআরুর্হাম শুলধরাম শৈলপুত্রী যসস্বিনি।- পর্বত রাজ হিমালাযের কন্যা রূপে জন্ম গ্রহণ করাই তাকে শৈলপুত্রী বলা হয়েছে। সাধক প্রথম অবস্থায় পার্থিব জগতের রূপ রস আদিতে , অর্থাত স্থুল জগতে মগ্ন হয়ে থাকে তখন মা তাকে এই জগত,প্রিয় বস্তু , প্রিয় ব্যক্তি -স্ত্রী, পুত্র কন্যা , পিতা মাতা - নানারূপে তার কামনা বাসনা পূরণ করেন , যেমন সাধারনভাবে মা কখনো ছেলেকে তার বাসনা পূরণ করেন আবার কখনো তাকে শাসন করেন -সেইরূপ। গীতা ও চন্ডি তে এইজন্য মাকে বিস্নুমায়া বা মহামায়া বলা হয়েছে। জীব চেতনা লাভ করার পর থেকেই এই মায়ের ভালবাসা অনুভব করে বলে চন্ডি তে -ইআ দেবী সর্বাভূতেসু চৈতন্য অভিধিয়াতে -বলার পরই বলছেন - বিষ্ণু মায়া ইতি শব্দিত। আবার গীতা তে বলা হয়েছে - মায়া দূরতায়া -...তাই সাধক তখন মূলাধার চক্রে মন রেখে মাকে বাইরের জগতে দর্শন করেন। তাই প্রথম দিন মা জাগতিক স্নেহ সম্পর্কে কন্যা রুপা ,ইচ্ছা পূরণের বা বাসনা পূরণের উপায়। বিশ্ব জননী কে বিশ্ব রূপে দেখায় হলো নবদুর্গার প্রথম জন শৈলপুত্রীর পূজা।
এবারে দেখাই যে আজকাল কত ভুল জিনিস নব দুর্গার নাম চলছে - যা আমাদের নির্বুদ্ধিতার পরিচয়।
দেবী রুদ্রচন্ডি র পদতলে যে শিব থাকেন তিনি স্বর্ণ বর্ণ , সাদা নন.
দেবী ব্রাহ্মণী র হাতে খড়গ থাকেনা।
দেবী বর্নাত্মিকা ও দেবী নৈরাত্মা বৌদ্ধ তন্ত্রের দেবী। এদের হিন্দু শাস্ত্রে গ্রহণ করা হইনি।
এবারে দেখাই যে আজকাল কত ভুল জিনিস নব দুর্গার নাম চলছে - যা আমাদের নির্বুদ্ধিতার পরিচয়।
দেবী রুদ্রচন্ডি র পদতলে যে শিব থাকেন তিনি স্বর্ণ বর্ণ , সাদা নন.
দেবী ব্রাহ্মণী র হাতে খড়গ থাকেনা।
দেবী বর্নাত্মিকা ও দেবী নৈরাত্মা বৌদ্ধ তন্ত্রের দেবী। এদের হিন্দু শাস্ত্রে গ্রহণ করা হইনি।








কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন